Wednesday, January 23, 2019

জিভের রঙ দেখে বুঝুন, আপনি কোন রোগে আক্রান্ত!


সুস্থ শরীরে জিভের স্বাভাবিক রং হাল্কা গোলাপি। এর অর্থ আপনার শরীরে বিশেষ কোনও সমস্যা নেই৷ পরিপাকতন্ত্রও ঠিকমতো কাজ করছে। শরীর খারাপ হলে চিকিৎসকরা রোগীর জিভটা দেখেন। তার রঙ ও আকার দেখে শারীরিক সমস্যার কথা জানেন। কারন জিভ মূলত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের খবরা খবর জানায়। কয়েক শতাব্দী পুরনো এই পন্থা আসলে চীনাদের চিকিৎসা পদ্ধতির অঙ্গ ছিল।

শরীরে কোথায় সমস্যা তা জানতে পারেন নিজেদের জিভ দেখেই-
১) পাতলা সাদা অাবরন থাকলে, বুঝবেন হজমে কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে।
২) মোটা সাদা আস্তরণ : এটা শরীর খারাপের সংকেত। এটা হলে বুঝবেন ভেতরে ভেতরে শরীর খারাপ হচ্ছে। শরীরে কোনও একটি অংশ ঠিক মতো কাজ করছে না।
৩) উপরিভাগে লাল চাকা-চাকা চামড়া উঠে যাওয়া: এর অর্থ শরীরে এনার্জি বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই। কোনও অ্যালার্জির কারণেও এমনটা হতে পারে।
৪) ফ্যাকাশে হলে বুঝতে হবে হজম ঠিক মতো হচ্ছে না। ভেতরে ভেতরে ঠান্ডা লেগে রয়েছে। এর সঙ্গে যদি জিভ বার বার শুকিয়ে যায়, তা হলে তা অ্যানিমিয়ার লক্ষণ হতে পারে।
৫) উজ্জ্বল লাল রং দেখলে বুঝবেন শরীরে কোথাও ইনফেকশন রয়েছে। প্রথমে ডগায় লাল হয় পরে পুুরো জিবে ছড়ায়৷
৬) জিভের পাশে লাল রং : খুব মশলাযুক্ত খাবার খেলে, প্রতুর ফ্যাট জাতীয় এবং অ্যালকোহলের মাত্রা শরীরে বেশি হলে এমন রং হয়। কোষ্ঠকাঠিণ্যের মতো সমস্যা থাকলেও জিভের রং এমন হয়।
৭) নীল রং : শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে জিভের রং পাল্টে গিয়ে নীল বর্ণ হতে থাকে। ডাক্তারি ভাষায় একে সায়ানোসিস বলে। রক্তে সমস্যা, হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো রোগ থাকতে পারে।
৮) কালো রং: যদি হঠাৎ কালো রং দেখেন তা হলে বুঝবেন এক সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া জমা হয়েছে জিভে।
৯) হলুদ রং যখন হবে, তখন বুঝবেন লিবারে বড় সমস্যা রয়েছে। সম্ভবত জন্ডিস হয়ে গিয়েছে। জ্বর হলেও এমন হয়৷
১০) পার্পল রং : এটার অর্থ শরীরে ভিটামিন B-এর ভীষণ ঘাটতি রয়েছে।

মনে রাখবেন, শরীরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল জিভ। তবে আমরা অনেকেই এর খেয়াল রাখি না। প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার রাখলে অনেক রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। রোজ সকালে দাঁত মাজার সময়ই জিভ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। সুস্থ থাকুন৷
.
সোর্সঃ ইন্টারনেট
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম!


যে ১০টি অনিয়মের কারণে কিডনি নষ্ট হতে পারে-
১. প্রস্রাব আটকে রাখা।*
২. পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩. অতিরিক্ত লবন খাওয়া।*
৪. যেকোন সংক্রমনের দ্রুত চিকিৎসা না করা।*
৫. মাংস বেশি খাওয়া।
৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।*
৮. ওষুধে সেবনে অনিয়ম।
৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া।

ভালো থাকুন | School of Awareness

Monday, January 21, 2019

Title

Syllabus for DU Kha Unit Admission Test

Preface to Health Awareness!


স্কুল অব অ্যাওয়ারনেস এর "স্বাস্থ্য সচেতনতা" বিভাগে আপনি স্বাস্থ্য রক্ষা, সুস্থ থাকা, বিভিন্ন দুরারোগ্য রোগ থেকে বাঁচার পদ্ধতি ও খাদ্য বিষয়ে নির্দেশনা পাবেন।